কু/খ্যাত এপস্টেইনের সংগ্রহে কাবার গিলাফ! | Kaaba | Shroud | Epstein |

JamunaTV
-খ্যাত এপস্টেইনের সংগ্রহে কাবার গিলাফ? ভাইরাল দাবির সত্যতা কী Kaaba | Shroud | Epstein | Fact Check বিশ্বজুড়ে আবারও আলোচনায় কুখ্যাত মার্কিন ধনকুবের জেফ্রি এপস্টেইন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভাইরাল হয়েছে—এপস্টেইনের ব্যক্তিগত সংগ্রহে নাকি কাবা শরিফের গিলাফ (আবরণ) পাওয়া গেছে। মুসলিম বিশ্বে এই দাবি তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই দাবি কি সত্য, নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব? কী বলা হচ্ছে ভাইরাল দাবিতে? ভাইরাল পোস্ট ও কিছু ইউটিউব ভিডিওতে বলা হচ্ছে— এপস্টেইনের বাড়িতে তল্লাশির সময় “দামি ধর্মীয় নিদর্শন” পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে একটি ছিল “কাবার গিলাফ” এটিকে গোপন সংগ্রহ হিসেবে রাখা হয়েছিল এই দাবির সঙ্গে কিছু অস্পষ্ট ছবি ও এডিট করা ভিডিও যুক্ত করা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। বাস্তবতা ও যাচাই (Fact Check) বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম, আদালতের নথি ও তদন্ত রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়— ✅ এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ ও পাচারের বহু অভিযোগ প্রমাণিত ❌ কাবা শরিফের গিলাফ তার সংগ্রহে থাকার কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই ❌ মার্কিন তদন্ত সংস্থা, এফবিআই বা আদালতের কোনো নথিতে এমন তথ্য উল্লেখ নেই ❌ সৌদি আরব সরকার বা হারামাইন কর্তৃপক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য আসেনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাবার গিলাফ একটি অত্যন্ত সংরক্ষিত ধর্মীয় নিদর্শন, যা কঠোর নিয়ম ছাড়া ব্যক্তিগত সংগ্রহে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাহলে এই গুজব ছড়াচ্ছে কেন? বিশ্লেষকদের মতে— এপস্টেইন ইস্যু নিয়ে মানুষের আবেগকে কাজে লাগানো ধর্মীয় অনুভূতি উসকে দিয়ে ভিউ ও ট্রাফিক বাড়ানো ভুয়া থাম্বনেইল ও AI-এডিট করা কনটেন্ট ব্যবহার এগুলোই এই ধরনের গুজব ছড়ানোর মূল কারণ। ধর্মীয় অনুভূতি ও দায়িত্বশীলতা ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে যাচাই ছাড়া তথ্য ছড়ানো গুরুতর অপরাধ। এতে শুধু বিভ্রান্তিই নয়, ধর্মীয় সহিংসতার ঝুঁকিও তৈরি হয়। উপসংহার 👉 “এপস্টেইনের সংগ্রহে কাবার গিলাফ” — এই দাবি বর্তমানে প্রমাণহীন ও গুজব 👉 পাঠকদের অনুরোধ—ভাইরাল কোনো খবর শেয়ার করার আগে বিশ্বস্ত উৎসে যাচাই করুন 👉 সত্য তথ্যই হোক আমাদের শক্তি, গুজব নয়