এপস্টেইন ফাইল: শিশুদের ধ/র্ষ/ণ করার পর তাদের মাংস দিয়ে হতো পার্টি

 



অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন। আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র গিলে খাবেন। কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে। গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে। এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো। ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল। এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল। তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে। ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ‌‌‌‌*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ‌‌‌*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত। তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে। সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা। প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো। এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো। কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো। এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যেত। এইসব জঘন্য অপকর্মের ব্যাপারে বহুবার বহুজন মুখ খুলতে চেয়েছিল কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি। ২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে। এরপর ওই মেয়েকে আর কোথাও দেখা যায়নি। তাকে স্রেফ গায়েব করে দেয়া হয়েছিল। ব্রাউন নামের এক সাংবাদিকও এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করতে চেয়েছিল। পরে তাকে জেলে ভরা হয় এবং ২০১৯ সালে আশ্চর্যজনকভাবে জেলেই তার মৃ*ত্যু হয়। মূলত তাকেও মে*রে ফেলা হয়েছিল। এপস্টেইন নামক লোকটা এতসব বাচ্চা মেয়েকে সাপ্লাই দিতো এবং জঘন্য কাজে সাহায্য করতো যাতে সে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনীতিবীদদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারে এবং গোয়েন্দা বাহিনীদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে। ক্ষমতা এবং স্বার্থের লোভেই তাদের বাহিনীগুলো এতবছর ধরে এ নোংরা কাজগুলো করে আসছিল। বিল গেটস পর্যন্ত এসবের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। রাশিয়ান এক মেয়ের সাথে যৌ‌ন সম্পর্ক করে STD রোগে আক্রান্ত হয়েছিল সে। এজন্যে তার ওয়াইফকেও রেগুলার ভ্যাকসিন নিতে হতো। শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে। শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু। এমনকি এসবের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তির সাথে ড. মোহাম্মদ ইউনূসেরও ভালো সম্পর্ক আছে সেটা এই ফাইল থেকেই জানা যায়। ফাইলটার একটা অংশে এটা উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে- "কিছুদিন আগে ইসাবেল এবং আমি আমাদের খুব ভালো বন্ধু কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিংকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম। আর আগামী রবিবার (৩রা অক্টোবর), ইউনূস হতে যাচ্ছেন সিম্পসন লিজেন্ডের (The Simpsons) একটি অংশ।" এই যে এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য। আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে হুশিয়ারি আসতো। অথচ ক্ষমতার মসনদে থাকা আমেরিকার বিলিয়নিয়াররা এসব করেছে বলে পুরো বিশ্ব নিশ্চুপ। যেসব পশ্চিমা নেতাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, বিজ্ঞানীদের সম্মান করি, সেলিব্রিটিদের দেখলে আনন্দে আত্মহারা হই তাদের মানসিকতাই এমন জঘন্য, কলুষিত। ্এই পশ্চিমারাই আমাদেরকে নারী অধিকার শিখায়, নারীর ক্ষমতায়ন শেখায় অথচ এরাই আবার ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে খেতে দুইবার ভাবে Popular posts from this blog কারাগারে বন্দি করে খাবার–পানি কিছুই দেওয়া হবে না, ধীরে ধীরে অনাহারে মরবে। January 31, 2026 Image কারাগারে বন্দি করে খাবার–পানি কিছুই দেওয়া হবে না, ধীরে ধীরে অনাহারে মরবে। কারাগারে ঢোকার অনুমতি পেত শুধু তার মেয়ে পেরো (Pero)। প্রহরীরা প্রতিদিন তাকে তল্লাশি করত, যেন সে গোপনে খাবার নিয়ে না আসে। কিন্তু পেরো এক অসাধারণ উপায় বের করেছিল। সে তখন সদ্য মা হয়েছে। প্রতিদিন কারাগারে এসে সে নিজের বুকের দুধ বাবাকে পান করাত—এইভাবেই সাইমন বেঁচে থাকেন। কিছুদিন পর কারারক্ষীরা লক্ষ্য করে, অনাহারের সাজা পাওয়া মানুষটা মরছে না—বরং টিকে আছে। রহস্য ধরা পড়ে। সবাই ভেবেছিল শাস্তি আরও কঠোর হবে। কিন্তু ঠিক উল্টোটা হয়। এই আত্মত্যাগ, এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখে বিচারক, কারারক্ষী, এমনকি পুরো রোম সমাজ মুগ্ধ হয়ে যায়। সাইমনকে ক্ষমা করে মুক্তি দেওয়া হয়। 🎁 Your Special Offer is Loading... Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown. 10s ⏳ Stay here — your offer will open in a new page. ✅ Redirect happens only once per session. Read more যো *নির ফাঙ্গাল ইনফেকশন কারন কী January 30, 2026 Image যো *নির ফাঙ্গাল ইনফেকশন কারন কী (Vaginal Yeast Infection / Vulvovaginal Candidiasis) নারীদের মধ্যে খুবই সাধারণ একটি ছত্রাকজনিত সমস্যা। এটি সাধারণত Candida albicans নামক ছত্রাকের কারণে হয়। এই ছত্রাক স্বাভাবিক অবস্থায় অল্প পরিমাণে যো*নিতে থাকে এবং কোনো সমস্যা করে না। কিন্তু যো*নির স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হলে ছত্রাক অতিরিক্ত বেড়ে সংক্রমণ সৃষ্টি করে। এই সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পর, গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে, খুব টাইট বা বাতাস চলাচল করে না এমন পোশাক পরলে এবং যোনির আশপাশে অতিরিক্ত আর্দ্রতা থাকলে। মাসিক বা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কারণেও হরমোনজনিত পরিবর্তনে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে যো*নি ও আশপাশে তীব্র চুলকানি, সাদা ও ঘন দইয়ের মতো স্রাব (সাধারণত দুর্গন্ধ থাকে না), লালচে ভাব, প্রস্রাবের সময় জ্বালা এবং সহবাসের সময় ব্যথা বা অস্বস্তি। মাসিকের আগে উপসর্গ অনেক সময় বেশি অনুভূত হয়। তবে তীব্র দুর্গন্ধ, মাছের মতো গন্ধ, সবুজ বা হলুদ স্রাব কিংবা জ্বর থাকলে সেটি... Read more গর্ভা'বস্থায় কত মাস পর্যন্ত স'হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন February 02, 2026 Image গর্ভা'বস্থায় কত মাস পর্যন্ত স'হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত সহবাস (Intercourse) করা উচিত? সে সম্পর্কে। গর্ভধারণ করার আগে পর্যন্ত সকল দম্পতিই সহবাস করে। কিন্তু অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় যে, গর্ভধারণ (Pregnancy) হলে কি সহবাস করা উচিত না উচিত না? অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণ হয়ে গেলে আর সহবাস করা উচিত নয় আবার অনেক কাপল মনে করে গর্ভধারণেও সহবাস করা যায়, ভয়ের কিছু নেই। এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক কনফিউশন (Confusion) থাকআজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে গর্ভাবস্থায় আদৌ সহবাস (Intercourse) করা যায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন। আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে, গর্ভাবস্থায় সহবাস করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাযায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন। আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে, গর্ভাবস্থায় সহবাস করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে আগত শিশুর কোন ক্ষতি হয় কি না? এই বিষয়ে ভাক্তাররা বলছেন, গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নি

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!